মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভিশন মিশন

ভিশনঃ “রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ”

মিশনঃ বন্দিদের নিরাপদ আটক নিশ্চিত করা, কারাগারের কঠোর নিরাপত্তা ও বন্দিদের মাঝে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, বন্দিদের সাথে মানবিক আচরণ করা , যথাযথভাবে তাদের বাসস্থান, খাদ্য, চিকিৎসা এবং আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও আইনজীবীদের সাথে সাক্ষাৎ নিশ্চিত করা এবং একজন সুনাগরিক হিসেবে সমাজে পুনর্বাসন করার লক্ষে প্রয়োজনীয় প্রেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা।

(ক)কারাগারে আটক নিরক্ষর বন্দিদেরকে অক্ষর জ্ঞান দানের জন্য গণ-শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং প্রত্যেক নিরক্ষর বন্দিকে বাধ্যতামূলকভাবে এই শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে।যাতে করে কারাগার হতে মুক্তি পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গিয়ে তাদের দায়-দায়িত্ব, অধিকার ও কর্তব্য সম্বন্ধ্যে সজাগ হয়ে সুস্থ সমাজ গড়তে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারেন।

(খ) মরন্নব্যাধি এইডস্ এর ভয়াবহতা সম্পর্কে বন্দিদেরকে সজাগ করা হয়। এবং এই মরন্নব্যাধি রোধকল্পে বন্দিদেরকে নান রকম পন্থা সম্পর্কে সচেতন করা হয়।

(গ)কারাগারে আটক বন্দিদেরকে নিজ নিজ ধর্ম প্রতিপালনের স্বার্থে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগসহ পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

(ঘ) প্রতিনিয়ত বন্দিদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশনা প্রদান করা হয়ে থাকে।

(ঙ)বন্দিদের দরবার ব্যবস্থা নিশ্চিত এবং তাদের সমস্যাগুলো মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করা হয় এবং সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

(চ)নির্ধারিত তারিখে হাজিরার নিমিত্তে বন্দিদের কোর্টে প্রেরণ নিশ্চিত করা হয়।

(ছ)বন্দিদের চিত্তবিনোদনের জন্য কারাভ্যন্তরে টিভি, রেডিও, ক্যারামবোর্ড, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন ও লুডু িইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

(জ)সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের দেখা সাক্ষাতের সুবিধার্থে আবেদনের প্রেক্ষিতে নিজ জেলায়/নিকটস্থ কারাগারে বদলী নিশ্চিত করা হয়।

(ঝ) প্রত্যেক কারাগারে ক্যান্টিন ব্যবস্থা চালু রাখা হয়েছে। যেখানে খাদ্য সামগ্রী ও দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র মজুদ রাখা হচ্ছে। বন্দিরা চাহিদা অনুযায়ী ক্যান্টিন হতে উক্ত মালামাল ক্রয় করতে সক্ষম হচ্ছে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter